চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোজার ৮টি উপকারিতা এবং ফজিলত


চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোজার উপকারিতা সম্পর্কে যদি আপনারা জানতে চান তাহলে আমাদের এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। কারন এই আর্টিকেলে আমরা রোজা করার উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোজার উপকারিতা


তাই আপনি যদি চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোজার কি কি উপকারিতা রয়েছে তা জানতে চান তাহলে আমাদের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণটা পড়ুন।

সূচিপএঃ চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোজার ৮টি উপকারিতা এবং ফজিলত

চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোজার উপকারিতা

চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোজার উপকারিতা অনেক বেশি কারণ সারাদিন না খেয়ে রোজা রাখার ফলে আমাদের শরীরে অনেক পরিবর্তন আসে যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। মুসলিম সম্প্রদায়ের হাজার হাজার বছরের একটি ঐতিহ্য এবং ধর্মীয় একটি ইবাদত হচ্ছে রমজান মাসে রোজা রাখা।
 রোজা অর্থ হচ্ছে সকল প্রকার খাবার এবং পানাহার থেকে নিজেকে বিরত রাখা অর্থাৎ সেহেরি থেকে শুরু করে ইফতারের আগ পর্যন্ত সকল প্রকার খাবার এবং পানাহার থেকে নিজেকে বিরত রাখার নামই হচ্ছে রোজা।

মুসলিমরা হাজার হাজার বছর ধরেই রমজান মাসে এ রোজা পালন করে আসে কিন্তু এটি স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী এবং ভালো তা চিকিৎসা বিজ্ঞানের তেমন কোন ধারণা ছিল না। তবে গত ২০-৩০ বছর ধরে রোজা নিয়ে গবেষণা অনেক আগেয়েছে এবং কিছু আশ্চর্যজনক উপকারিতা পাওয়া গেছে। তাই আজকে আমরা জানবো যে চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে রোজার কি কি উপকারিতা রয়েছে।

১। তারুণ্য ধরে রাখার সম্ভাবনা

আমাদের সারা শরীর টিলেন্ট টিলেন্ট কোষ দ্বারা গঠিত এই সকল কোষগুলো এক একটি কারখানার মতো সারাক্ষণ কাজ করার ফলে এখানে কিছু আবর্জনা তৈরি হচ্ছে এবং কিছু যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে এবং সেগুলো সরাতে হবে সে কাজগুলোই কোষ নিজে করে অটোফেজি নামক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

এই প্রক্রিয়া ঠিকভাবে না হওয়ার কারণে ব্রেনের বিভিন্ন রোগ এবং শরীর ফুলে যাওয়া ইত্যাদি হতে পারে। আমরা যখন সবসময় খাওয়া-দাওয়ার মধ্যে থাকি তখন এই অটোফেজি প্রক্রিয়া দমে থাকে এবং অন্যদিকে রোজা থাকা অবস্থায় অটোফেজি প্রক্রিয়া বেড়ে যায়।

২। শরীরের চর্বি কমা

সারা বছর আমরা অনিয়মিতভাবে যেকোনো ধরনের খাবার খেয়ে থাকি যার ফলে আমাদের শরীরে চর্বির পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। শরীরে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যাওয়া অনেক খারাপ বিশেষ করে যারাদের হার্ট, হাই প্রেসার, ডায়াবেটিস ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য এটি অনেক খারাপ একটি লক্ষণ। তাই রোজার মাসে রোজা রাখার ফলে এ ধরনের সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়।

৩। ওজন কমে যাওয়া

চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে রমজান মাসে রোজা রাখার ফলে এক থেকে দেড় কেজি ওজন কমে গেছে। কারণ সারাদিন না খেয়ে রোজা থাকার ফলে আমাদের শরীরের ফ্যাটকে কমিয়ে দেয় এবং আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। এতে করে দেখা যায় রোজার সময় আমাদের শরীর অনেক উৎফুল্ল এবং হালকা লাগে এবং আমরা একটি আরাম অনুভব করি।

৪। হার্ট ভালো থাকে

রোজা থাকার ফলে আমাদের দেহের অতিরিক্ত কোলেষ্টেরলের পরিমাণ কমে যায়। এতে করে চর্বির উপাদানগুলো রক্তনালীতে জমতে পারে না এবং হার্ট ব্লকের ঝুঁকি কমে যায়। তাই যাদের হার্টের সমস্যা এবং ওজন কমানোর সহ নানা উপকার পেতে রোজা রাখতে পারে।

৫। মস্তিষ্কের কার্যক্রম বৃদ্ধি করে

সারা বছর অধিক খাদ্য গ্রহণের ফলে শরীরের উপর যেমন একটি চাপ সৃষ্টি হয় তেমনি মস্তিষ্কের উপর একটি চাপ সৃষ্টি হয়ে থাকে। এর জন্য বিশেষজ্ঞরা গবেষণা করে দেখেছে যে রোজা রাখার ফলে শরীরের মধ্যে যে পরিবর্তন আসে মস্তিষ্কে এক ধরনের পরিবর্তন আসে যায় মস্তিষ্কের কার্যক্রম বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

৬। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রোজা রাখা অনেক প্রয়োজন। কারণ বেশি খাওয়া দাওয়ার ফলে ডায়াবেটিস রোগীদের সুগারের পরিমাণ বেড়ে যায় এতে করে তাদের বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিতে দেয়। কিন্তু রোজা রাখার ফলে তাদের ডায়াবেটিসটা অনেক নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৭। কিডনি ভালো থাকে

কিডনির কাজ হল আমাদের শরীরের সকল রকম বর্জ্য পদার্থগুলোকে প্রসাব আকারে বাইরে বের করে দেওয়া। এছাড়াও কিডনির মাধ্যমে আমাদের শরীরে এক থেকে তিন লিটার রক্ত সঞ্চালিত হয়ে থাকে। তাই রোজা থাকা অবস্থায় কিডনি অনেক ভালো থাকে।

৮। বদহজম এবং গ্যাস্টিক থেকে রক্ষা পাওয়া

অনেকে রয়েছে যাদের বেশি খাওয়া দাওয়ার ফলে গ্যাস্ট্রিক এবং বদহজমের সমস্যা হয়ে থাকে। রোজা রাখার ফলে নিয়ম মতন খাওয়া-দাওয়া করার ফলে এই সকল সমস্যা থেকে আমরা দূরে থাকতে পারি। তাই রোজা রাখার ফলে গ্যাস্টিক এবং বদ হজম থেকে আমরা রক্ষা পেতে পারি।

রোজা করার উপকারিতা

আমরা অনেকেই জানি চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোজার উপকারিতা অনেক বেশি কারণ বিগত কয়েক বছর ধরে চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞরা রোজাকে নিয়ে গবেষণা করার ফলে এর অনেক উপকারিতা দিক পেয়েছে।
 প্রতিটা মুসলিম জাতির জন্য সর্বোত্তম একটি ফরজ এবাদত হচ্ছে রমজান মাসের রোজা রাখা আল্লাহতালা প্রতিটা মুসলিম জাতির উপরে অন্যান্য ফরজ ইবাদতের মত রোজাকেও ফরজ করেছেন। রমজান মাসে আমরা সেহেরি থেকে শুরু করে ইফতারের আগ পর্যন্ত সকল প্রকার খাবার এবং পানাহার থেকে বিরত থাকি আর এটি হল আমাদের রোজা।

এই সারা বছর খাওয়া দাওয়া করার ফলে হঠাৎ করে একটা মাস না খেয়ে রোজা করার ফলে আমাদের শরীরে বিভিন্ন রকম পরিবর্তন দেখা যায় আর তাই গবেষণায় দেখা গেছে যে এই পরিবর্তনে আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। তাই আজকে আমরা আলোচনা করব যে রোজা করার উপকারিতা সম্পর্কে।

১। নিয়মিত রোজা রাখলে পরিপাকতন্ত্রের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার লিভার অনেক শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

২। রোজা রাখার ফলে আমাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গুলো বিশ্রাম লাভ করে ফলে শরীরে সঞ্চিত বিষাক্ত পদার্থ গুলো দূর হয়ে যায়।

৩। অতিরিক্ত খাওয়া দাওয়ার ফলে শরীরের মধ্যে যে এক ধরনের টক্সিন তৈরি হয় যা আমাদের শরীরকে অনেক দুর্বল করে দেয় রোজা আমাদের শরীরকে অনেক সতেজ করে।

৪। এছাড়া বিজ্ঞানীদের দ্বারা আবিষ্কৃত যে একজন মানুষের দেহ এবং মস্তিষ্ক সবচেয়ে ভালো কাজ করে যখন তার পাকস্থলী ফাঁকা থাকে।

৫। যাদের বেশি খাওয়া-দাওয়ার ফলে গ্যাস্ট্রিক বদজন এর সমস্যা হয় তাদের জন্য রোজা করা অনেক ভালো। কারণ রোজা করার ফলে তাদের পাকস্থলী ফাঁকা থাকে এবং এ ধরনের সমস্যা থেকে তারা মুক্ত থাকে।

৬। সারা বছর অনিয়তভাবে খাবার খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে অনেক অতিরিক্ত চর্বি জমে যায় যা রোজা রাখার ফলে দূরীভূত হয়।

তাই পরিশেষে বলা যায় যে রমজান মাসে আপনি যদি নিয়মিত রোজা রাখেন তাহলে আপনি এইসব উপকারিতা পাবেন এবং শরীরের বিভিন্ন রোগবালাই থেকে রক্ষা পাবেন।

রোজা রাখলে কি ওজন কমে

চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোজার উপকারিতা রয়েছে অনেক এর মধ্যে মূল উপকারিতা হচ্ছে রমজান মাসে রোজা রাখার ফলে আমাদের শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমে যায় বিশেষ করে যাদের ওজন অতিরিক্ত বেশি রোজা রাখার ফলে তাদের ওজন অনেকটা কমে যায়।

 আবার আমরা অনেকেই মনে করি রমজান মাসে সারাদিন না খেয়ে রোজা রাখলে হয়তোবা আমাদের ওজন কমবে কিন্তু এই যুক্তিটা সবসময় ঠিক নাও হতে পারে। কারণ অনেকে না খেয়ে সারাদিন রোজা রাখে ঠিকই কিন্তু সারাদিন না খাওয়ার ফলে তার শরীরের যতগুলো ক্যালোরি লস হয় ইফতারের সময় সে তার চেয়ে বেশি ভাজাপোড়া এবং তেল রক্ত জিনিস খেয়ে ফেলে।
এতে করে তার ওজন সেই আগের মতই থেকে যায় কোন পরিবর্তন আসে না। আবার দেখা যায় যে এটির ফলে অনেকের রমজান মাসে রোজা রাখার ফলে ওজন আগের থেকে বেড়ে যায়। তাই আমাদের কাছে অনেকে প্রশ্ন করে যে রমজান মাসে রোজা রাখলে কি ওজন কমে? উত্তর হবে হ্যাঁ।

 আপনি চাইলে রমজান মাসে রোজা রাখার মাধ্যমে খুব সহজেই আপনার শরীরের অতিরিক্ত কমিয়ে ওজন কমাতে পারেন কিন্তু তার জন্য আপনাকে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।

১।রোজা রাখার ফলে আমাদের শরীরে পানি শূন্যতা দেখা দিতে পারে তাই ইফতারির পর পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে বেশি পানি পান করার ফলে এটি চিনির লোভ নিয়ন্ত্রণ করে এবং আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে।

২।সেহরি এবং ইফতারের খুব বেশি তেল রক্ত এবং ঝাল যুক্ত খাবার খাবেন না এগুলো থেকে নিজেকে যতটা পারা যায় বিরত রাখবেন। কারণ এই ধরনের খাবার শরীরে অতিরিক্ত ফ্যাট এবং চর্বি তৈরি করতে পারে।

৩।কোন সময় সেহেরি করা বাদ দিবেন না কারণ এটি হলো আমাদের সারাদিন রোজা রাখার জন্য সঞ্চিত খাদ্য।

৪।ইফতারের সময় বেশি বেশি করে বিভিন্ন রকম ফলের জুস খাবেন এবং পারলে দুই খাবেন এটি সারাদিন রোজা রাখার পর আপনার শরীরে অনেক কাজে দিবে এবং অতিরিক্ত ফ্যাট এবং চর্বি দূর করবে।

৫।এবং রোজা থেকে সব সময় চেষ্টা করবেন প্রোটিন যুক্ত খাবার বেশি বেশি করে খাওয়া। এতে করে আপনি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ শক্তিও পাবেন এবং আপনার ওজন আগে থেকে কমে যাবে।

৬।রমজান মাসে সব সময় প্রোটিন এবং পুষ্টিকর জাতীয় খাবার খাবেন ভারী খাবার থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন।

রোজা রাখার ফজিলত

চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোজার উপকারিতা সম্পর্কে ইতিমধ্যে আপনারা উপরের অংশে পড়ে বুঝতে পেরেছেন তাই এবার আপনাদেরকে এই অংশে রোজা রাখার ফজিলত সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। প্রতিটা মুসলমানের জন্য সারা বছরের ন্যায় রমজানের এই একটি মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়।

 কারণ এই সময় প্রতিটা মুসলমানই আল্লাহ তায়ালার উদ্দেশ্যে রোজা রাখে এবং আল্লাহ তায়ালাকে রাজি খুশি করে। বছরের অন্যান্য দিনের থেকে রোজার এই একটি মাস আল্লাহতালা পৃথিবীর সকল জিনিসের বরকত দিয়ে দেন।
মহানবী সাঃ এর সময় মহানবী এবং তার সাহাবারা ছয় মাস আগে থেকেই অপেক্ষা করতেন যে কবে রমজান মাস আসবে। এ রমজান মাস আল্লাহ তায়ালা অন্যান্য মাসের তুলনায় সবচেয়ে বেশি মর্যাদা এবং ফজিলত দান করেছেন।

হাদিসে রয়েছে যে ব্যক্তি রোজার মাসে ৩০ টি রোজায় পালন করে আল্লাহ তা'আলা তাঁর জন্যে জান্নাতে বিশেষ একটি দরজা তৈরি করে রাখেন এটি শুধু রোজাদার ব্যক্তিদের জন্যই প্রযোজ্য। রোজাদার ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।

রমজান মাসটি প্রতিটি মুসলিম জাতির জন্য অনেক বড় একটি সুযোগ হাদিসে বলা আছে কোন ব্যক্তি রমজান মাস পেল কিন্তু তারপরও সে তার গুনা মাফ করতে পারল না তাহলে তার মত হতভাগা আর কেউ নেই। তাই প্রতিটি মুসলমানেরই রমজান মাসটি সবচেয়ে বড় একটি সুযোগ নিজেদের গুনাহ আল্লাহর কাছে মাফ করে নেওয়া।

রমজান মাসে আমাদের অনেক কষ্ট হয় না খেয়ে থাকার কারণে অনেক সময় পানির জন্য গলা ফেটে যায় তারপরও আমরা পানি খাই না একমাত্র আল্লাহর নির্দেশে এবং আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্য। তাই আমাদের এই ত্যাগের জন্য এ মাসটিতে আল্লাহতালা অনেক মর্যাদা এবং ফজিলত দিয়েছেন।

ডায়াবেটিস রোগীর রোজা

চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোজার উপকারিতা অনেক বেশি বিশেষ করে একজন ডায়াবেটিস রোগীর রোজা করা তার শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারী কারণ এতে করে একজন ডায়াবেটিস রোগের ডায়াবেটিস অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকে। বর্তমানে বিশ্বে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

 এটি এখন একটি কমন রোগ হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে এটি ৩০ থেকে শুরু করে ৪০- ৫০ বছর বয়সের মানুষের বেশি হয়ে থাকে। ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা কোনো মানুষের যদি একবার ধরা পড়ে তাহলে এটি কোনদিন ভালো হয় না।
কিন্তু আপনি চাইলে একটি নিয়মের মধ্যে খাওয়া দাওয়া এবং ব্যায়াম করলে ডায়াবেটিস অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকে। বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিস রোগী রয়েছে রমজান মাস এলেই তাদের মধ্যে একটি দুশ্চিন্তা দেখা দেয় যে রমজান মাসে কিভাবে তারা ডায়াবেটিস কন্ট্রোল করবে এবং কিভাবে ইনসুলিন নিবে।

আবার অনেকে মনে করে সারাদিন না খেয়ে রোজা রাখার ফলে ডায়াবেটিস লো হয়ে যেতে পারে এবং বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। তাই আজকে আমরা আলোচনা করব যে ডায়াবেটিস রোগীরা কিভাবে রমজান মাসে রোজা করতে পারবে।

রোজা থাকার আগে ভালোভাবে ডায়াবেটিস টা পরীক্ষা করে নিতে হবে। এতে করে রোজা পালন করা উচিত হবে কিনা বা সে রোজা পালন করতে পারবে কিনা তা নিয়ে চিকিৎসক পরামর্শ পারবে।
সেহরিতে না খেয়ে রোজা করা যাবেনা সেহেরিতে ভালোভাবে খেয়ে নিতে হবে এবং সেহরিতে তেলাক্ত জিনিস খাওয়া থেকে বিরত।

ইফতারের সময় চিনি জাতীয় অথবা মিষ্টি জাতীয় কিছু খাওয়া যাবে না বেশি বেশি করে পানি পান করতে হবে। চাইলে লেবু এবং বেলের শরবত খাওয়া যাবে।এবং রমজান মাসের আগেই একবার ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে এবং ওষুধের ডোজ গুলোর সময় পরিবর্তন করে নিতে হবে।

লেখকের মন্তব্য

প্রিয় বন্ধুরা আপনারা যদি রমজান মাসে রোজা রাখা বিভিন্ন উপকারিতা সম্পর্কে আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ে জানতে পারেন তাহলে আমাদের এই আর্টিকেলটি অন্যদেরকে খেয়াল করুন এবং তাদেরকেও এ সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দিন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

rsfahim it নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url